সর্বশেষ :
বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে পরীমনির ‘মজা’ পুশ ইনে এত আগ্রহ থাকলে শুভেন্দুকে পাঠিয়ে দিন, তার বাড়ি বরিশাল প্রেমিকার সঙ্গে বিশ্বকাপ দেখতে গিয়ে সমালোচনায় ট্রুডো নগরীর প্রত্যেকটি পাড়া-মহল্লার রাস্তা সম্প্রসারণ করছি: সিসিক প্রশাসক কয়েস লোদীসহ দেশের ৮ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানদের দায়িত্ব গ্রহণ শাপলা ট্র্যাজেডি থেকে পরীমণি: গত এক দশকে বেনজীর ছিলেন সমালোচনা ও বিতর্কের কেন্দ্রে মৌলভীবাজারের শিক্ষার্থী সাজ্জাদুলের উদ্ভাবনের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ১ উইকেটে হার বাংলাদেশের গোলাপগঞ্জে হত্যা মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা জিলু পুলিশের জালে ৪ থানার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ রাজু এবার বিশ্বনাথ পুলিশের জালে, রয়েছে ১৩টি মামলা!

নবীগঞ্জে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইন ক্যাসিনো: সর্বস্বান্ত যুবসমাজ ও প্রবাসীর স্ত্রীরা

নবীগঞ্জে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইন ক্যাসিনো: সর্বস্বান্ত যুবসমাজ ও প্রবাসীর স্ত্রীরা

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে অনলাইন ক্যাসিনো ও ডিজিটাল জুয়ার মরণফাঁদে পড়ে শত শত নারী-পুরুষ এখন নিঃস্ব। জুয়ার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে অনেকেই ভিটেমাটি বিক্রি করে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন। এমনকি অনেক প্রবাসীর স্ত্রীও এই সর্বনাশা জুয়ার জালে জড়িয়ে খুইয়েছেন লাখ লাখ টাকা, ভেঙে গেছে বহু সুখের সংসার। বর্তমানে নবীগঞ্জের শহর থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের সর্বত্রই অনলাইন ক্যাসিনো এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, স্থানীয় বেশ কিছু চতুর ক্যাসিনো ব্যবসায়ী বিকাশ, নগদ ও ফ্ল্যাক্সিলোডের দোকান বা এজেন্সির আড়ালে এই সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন রিচার্জের দোকান থেকে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে প্রবাসীদের স্ত্রীদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে মেসেঞ্জার, টেলিগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে বিভিন্ন লোভনীয় অফারের মেসেজ দিয়ে বা বিদেশি নম্বর থেকে কল করে মোটা অঙ্কের লাভের প্রলোভন দেখায়। তাদের ফাঁদে পা দিয়ে টাকা পাঠানোর পর পরই নম্বরগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সম্প্রতি উপজেলার আমুকোনা গ্রামের এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী অনলাইন জুয়ার পেছনে ২৫ লাখ টাকা খুইয়েছেন। বর্তমানে তিনি স্বামী-সন্তান রেখে ঋণগ্রস্ত অবস্থায় এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এছাড়া মান্দারকান্দি গ্রামের এক যুবক অনলাইন জুয়ায় সর্বস্ব হারিয়ে সম্প্রতি আত্মহত্যা করেছেন বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এই চক্রের সদস্যরা অত্যন্ত চতুর। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে তারা ঢাকা থেকে ২-৩ হাজার টাকায় বিভিন্ন ভুয়া নামে বেনামী সিম সংগ্রহ করে লেনদেন চালায়। সাধারণত একটি সিম তারা দুই-একবারের বেশি ব্যবহার করে না। অভিযোগ রয়েছে, এই অবৈধ ব্যবসার সুরক্ষায় স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের কতিপয় নেতাকেও নিয়মিত মাসোহারা বা ভাগ দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীদের মতে, এই সিম জালিয়াতি ও ক্যাসিনো এজেন্সির মূল হোতাদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত এই জুয়া বন্ধ করা সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোনায়েম মিয়া বলেন, ‘অনলাইন জুয়া বা ক্যাসিনোর বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কেউ যদি নির্দিষ্ট নাম ও প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণসহ আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন, তবে তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.




© All rights reserved ©ekusheysylhet.com
Design BY DHAKA-HOST-BD
weeefff